সভাপতি
ডঃ মোহাঃ নিহাল উদ্দিন
রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পদ্মাবিধৌত পলি দ্বারা গঠিত চরাঞ্চল বাহাদুরপুর গ্রাম। এ গ্রামেই ১৯৬৯ সনের ১৭ ক প্রতিষ্ঠিত হয় বিদ্যালয়টি । পরবর্তীতে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী গণবাহিনীর সদস্য নৌ কমান্ডো “বীর বিক্রম' খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা আমাদের এলাকার গর্ব খবিরুজ্জামানের নামে নামকৃত এ্রতিহ্যবাহী শহীদ খবিরুজ্জামান উচ্চ বিদ্যালরের পঁঞ্চাশ বছর পূর্তিতে আমি অত্যন্ত গর্বিত ও আনন্দিত । এ মহান শিক্ষা নিকেতনের প্রতিষ্ঠাতা বিশিষ্ট সমাজসেবক, গণমানুষের বরেণ্য নেতা মুক্তিবুদ্ধের সংগঠক মোসলেম উদ্দিন মৃধা । এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন ছাত্র হিসেবে আমি গর্ব বোধ করি ৷ আমি এ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার সাথে সম্পৃক্ত সকল নিবেদিত প্রাণ ব্যক্তিবর্গ, কৃতি শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও পৃষ্ঠপোষক মন্ডলীর অবদান শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। এই প্রতিষ্ঠানের সাথে আমার সম্পর্ক অতি নিবিড় । প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই এ বিদ্যালয় এর অনেক মেধাবী ও কৃতি শিক্ষার্থীর জন্ম দিয়েছে যারা দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত । বিদ্যালয়টি সংস্কারমুক্ত বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ ও জাতি গঠনে অবদান রেখেছে। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই যারা অনেক লোভনীয় পেশা ত্যাগ করে, এলাকার শিক্ষার আলো প্রজ্জ্বলন করতে ছিলেন নিবেদিত, আমি সেই সকল মানুষ গড়ার কারিগর আদর্শ শিক্ষক মন্ডলীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি, আমার প্রাণপ্রিয় বিদ্যালয়ের পঞ্চাশ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানের সঙ্গে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পেরে । এ মহতী অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা, পৃষ্ঠপোষক ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি । আমাদের প্রকৃত পরিচয় নিহিত আছে এ মাটিতে,আমরা যেন মাটির ঠিকানা থেকে সরে গিয়ে অন্যত্র বিচরণ করে ঘরে ফেরার পথ হারিয়ে না ফেলি। আমি বীর বিক্রম শহীদ খবিরুজ্জামান বিদ্যালয়ের সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবের সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।